২৭ জানুয়ারি, বালুরঘাট : বালুরঘাটের সাংস্কৃতিক জগতে গর্বের এক অনন্য মুহূর্ত। শহরের বিশিষ্ট নাট্যকার, নাট্যনির্দেশক ও নাট্যলেখক হরি মাধব মুখোপাধ্যায় মরণোত্তর পদ্মশ্রী পুরস্কারে সম্মানিত হতে চলেছেন। এই সুখবরের আনন্দ সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিতে সোমবার তাঁর পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন বালুরঘাটের বিধায়ক তথা বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অশোক কুমার লাহিড়ী। তিনি হরি মাধব মুখোপাধ্যায়ের বাসভবনে পৌঁছে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।উল্লেখ্য, গত বছর প্রয়াত হন বালুরঘাটের এই কৃতি সন্তান। জীবদ্দশায় নাট্যজগতকে তিনি যে অবদান রেখে গেছেন, তা আজও রাজ্যজুড়ে স্মরণীয়। ‘দেবাংশী’, ‘তিন বিজ্ঞানী’, ‘গ্যালিলিও জল’ সহ একাধিক নাটক দর্শক ও সমালোচকদের প্রশংসা কুড়িয়েছিল। শুধু নাট্যকার হিসেবেই নয়, তিনি ছিলেন একজন দক্ষ নাট্যনির্দেশক ও নাট্যচিন্তক। মঞ্চে নাটকের প্রাণ হয়ে ওঠার ক্ষমতা ছিল তাঁর অসাধারণ। তাই তাঁর মরণোত্তর পদ্মশ্রী সম্মান প্রাপ্তিতে স্বাভাবিকভাবেই খুশির হাওয়া বইছে গোটা জেলা জুড়ে।এই প্রসঙ্গে বিধায়ক অশোক কুমার লাহিড়ী বলেন, জীবনে কিছু মুহূর্ত আসে যাকে ইংরেজিতে বলা যায় ‘রিফ্লেক্টেড গ্লোরি’। হরি মাধব মুখোপাধ্যায় আমাদের বালুরঘাটের ছেলে। আমরা সকলেই বালুরঘাটের মানুষ, আমি নিজেও এই এলাকার বিধায়ক। তাঁর কৃতিত্বে আমাদের সকলের মুখ উজ্জ্বল হয়েছে। তাই এই সম্মানের আনন্দ ভাগ করে নিতে তাঁর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে এসেছি।অন্যদিকে, হরি মাধব মুখোপাধ্যায়ের পুত্র জানান, তাঁর বাবা মরণোত্তর পদ্মশ্রী সম্মান পাওয়ায় পরিবার অত্যন্ত গর্বিত ও আবেগাপ্লুত। এই উপলক্ষে বিধায়ক অশোক কুমার লাহিড়ী তাঁদের বাড়িতে এসে তাঁর মায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁরা আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।হরি মাধব মুখোপাধ্যায়ের এই স্বীকৃতি বালুরঘাটের সাংস্কৃতিক ইতিহাসে এক স্মরণীয় অধ্যায় হয়ে থাকবে বলেই মনে করছেন সাংস্কৃতিক মহল।